ধরুন একটা বিদ্যুৎ গ্রিড একটি শহরের জন্য X মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে এবং সমপরিমাণ বিদ্যুতের এর বিপরীতে P সংখ্যক বাতি, Q সংখ্যক ফ্যান, R সংখ্যক ফ্রিজ, S সংখ্যক এসি এবং t সংখ্যক অন্নান্য যন্ত্র কোনো ধরণের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ছাড়া ২৪ ঘন্টা চলে। এখন যদি কিছু সময় পর ঐ শহরের অর্ধেক বাতি, ফ্যান, ফ্রিজ এবং এসি ও চলে, তবুও বিদ্যুৎ গ্রিডে X মেগাওয়াট বিদ্যুৎই উৎপন্ন করতে হবে, কারণ গ্রিড জানেনা আপনি বাকিগুলো কখন চালু করবেন। এখন গ্রিড যদি আপনার অর্ধেক ব্যবহার দেখে অর্ধেক বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে এবং আপনি যদি হঠাৎ করে বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ান তাহলে জাতীয় গ্রিড অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে এবং এর অনেক যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে যাবে। এখন কেউ যদি বলে আমি আমার ঘরের বাতি, ফ্রিজ অথবা এসি দিনে কয়েকবার ৩০ মিনিট করে চালাই এতে করে জাতীয় বিদ্যুৎ খরচ কমানোর কোনো সুযোগ নাই, কারণ বিদ্যুৎ গ্রিড লোড বাড়ানো কমানো সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। এক্ষেত্রে আপনাকে নির্দিষ্ট করে সংযোগটি নির্দিষ্ট সময় ধরে বন্ধ রাখতে হবে অথবা চিরতরে বিচ্ছিন্ন করতে হবে অথবা গ্রিড কর্তৃপক্ষ আপনাকে যে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ রাখতে বলে সেই সময় ধরিয়া বন্ধ রাখতে হবে। অথবা আপনি যদি সেই কথা না শুনেন তাহলে গ্রিড কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন এলাকায় পালাকরে দিনের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখবে, এর নামই লোডশেডিং। তবে গণমানুষের নিয়মিত সাশ্রয়ী ব্যবহারের উপর একটা গড় লোড কমে যায়, সে ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ গ্রিডে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়ে খরচ কমানো সম্বব এবং লোড মোট উৎপাদনের ভিতর চলে আসলে লোডশেডিং আর থাকে না। গরমকালে ফ্যানের এবং এসির অতিরিক্ত ব্যবহার উৎপাদনের চেয়েও মোট লোড বাড়িয়ে দিলে লোডশেডিং অবশ্যিক হয়ে যায়।
Answer ( 1 )
ধরুন একটা বিদ্যুৎ গ্রিড একটি শহরের জন্য X মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে এবং সমপরিমাণ বিদ্যুতের এর বিপরীতে P সংখ্যক বাতি, Q সংখ্যক ফ্যান, R সংখ্যক ফ্রিজ, S সংখ্যক এসি এবং t সংখ্যক অন্নান্য যন্ত্র কোনো ধরণের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ছাড়া ২৪ ঘন্টা চলে। এখন যদি কিছু সময় পর ঐ শহরের অর্ধেক বাতি, ফ্যান, ফ্রিজ এবং এসি ও চলে, তবুও বিদ্যুৎ গ্রিডে X মেগাওয়াট বিদ্যুৎই উৎপন্ন করতে হবে, কারণ গ্রিড জানেনা আপনি বাকিগুলো কখন চালু করবেন। এখন গ্রিড যদি আপনার অর্ধেক ব্যবহার দেখে অর্ধেক বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে এবং আপনি যদি হঠাৎ করে বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ান তাহলে জাতীয় গ্রিড অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে এবং এর অনেক যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে যাবে। এখন কেউ যদি বলে আমি আমার ঘরের বাতি, ফ্রিজ অথবা এসি দিনে কয়েকবার ৩০ মিনিট করে চালাই এতে করে জাতীয় বিদ্যুৎ খরচ কমানোর কোনো সুযোগ নাই, কারণ বিদ্যুৎ গ্রিড লোড বাড়ানো কমানো সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। এক্ষেত্রে আপনাকে নির্দিষ্ট করে সংযোগটি নির্দিষ্ট সময় ধরে বন্ধ রাখতে হবে অথবা চিরতরে বিচ্ছিন্ন করতে হবে অথবা গ্রিড কর্তৃপক্ষ আপনাকে যে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ রাখতে বলে সেই সময় ধরিয়া বন্ধ রাখতে হবে। অথবা আপনি যদি সেই কথা না শুনেন তাহলে গ্রিড কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন এলাকায় পালাকরে দিনের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখবে, এর নামই লোডশেডিং। তবে গণমানুষের নিয়মিত সাশ্রয়ী ব্যবহারের উপর একটা গড় লোড কমে যায়, সে ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ গ্রিডে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়ে খরচ কমানো সম্বব এবং লোড মোট উৎপাদনের ভিতর চলে আসলে লোডশেডিং আর থাকে না। গরমকালে ফ্যানের এবং এসির অতিরিক্ত ব্যবহার উৎপাদনের চেয়েও মোট লোড বাড়িয়ে দিলে লোডশেডিং অবশ্যিক হয়ে যায়।